Home / মিডিয়া নিউজ / নিয়মিত অভিনয়ের ইচ্ছা নেই, শিক্ষকতা করছি : ঈশিতা

নিয়মিত অভিনয়ের ইচ্ছা নেই, শিক্ষকতা করছি : ঈশিতা

রুমানা রশীদ ঈশিতা একজন বাংলাদেশী টেলিভিশন অভিনেত্রী, পরিচালক এবং লেখক।

তিনি ১৯৮৮ সালে ’নূতুন কুড়ি’ প্রতিযোগিতায় অভিনয় করে শিশু শিল্পী হিসাবে তার অভিনয়

জীবন শুরু করেছিলেন। শেষ অবধি তিনি প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেছিলেন। তিনিবিভিন্ন নাটকে

অভিনয় করেন এবং তার কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাতা ঝরার দিন, নির্জন অরণ্যে,

গোধুলি বেলায় প্রভৃতি। তিনি চ্যানেল আইয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং প্রায় ১১ বছর চ্যানেলের সাথে কাজ করেছিলেন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে, তার বর্তমান সময়ের অর্থাৎ লকডাউনে ক্যারিয়ার, অভিনয় নিয়ে কথা বলেন।

লকডাউনের সময়টা কীভাবে কাটাচ্ছেন?

সারাদিন বাসাতেই সময় কাটছে। বই পড়ছি, কিছু ক্ল্যাসিক সিনেমাও দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাসায় এখন গানের গানের চর্চা করছি। ছেলে যাভীর

দৌলার গানের প্রতি আলাদা ভালো লাগা আছে, ওর সঙ্গেই চলছে গানের চর্চা। তবে যতকিছুই করি, লকডাউনের এই সময়ে দেশ ও মানুষের জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে। করোনাভাইরাস থেকে যেন সৃষ্টিকর্তা আমাদের মুক্ত করে দেন, এটিই মানে-প্রাণে প্রার্থনা করি।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু গান প্রকাশ পেয়েছে আপনার। অভিনয়ের ব্যস্ততায় সংগীত কতটা প্রভাব ফেলে?

অনেকটাই প্রভাব ফেলে। দুটি মাধ্যমই পরস্পরের পরিপূরক। অভিনয় করতে গেলে ইমোশন দিতে হয়। সঙ্গে তাল ও লয়ের জ্ঞানও থাকতে হয়।

এসব তো সংগীত থেকেই নিতে হয়। মিউজিক ইজ মাস্ট ফর অ্যাক্টিং। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, সব অভিনয় স্কুলেই গান শেখানোর ব্যবস্থা রাখা হয়। গানের মধ্যে একধরনের ভিজ্যুয়াল বিষয় আছে। কোনো গানের ভিডিও না থাকলেও শ্রোতা মনের মধ্যে দৃশ্যকল্প তৈরি করে নিতে পারেন।

টিভির পাশাপাশি অনেকে এখন অনলাইন মাধ্যমেও অভিনয় করছেন। এ প্রবণতা আপনার কাছে কতটা ইতিবাচক মনে হয়?

পরিবর্তনই পৃথিবীর নিয়ম। সেই ধারাবাহিকতায় মিডিয়াতেও এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। যে জন্য মঞ্চ ও টিভির পাশাপাশি নাটকও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে।

এসব মাধ্যমে প্রচুর কাজও হচ্ছে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, আমরা যেন কাজের মান ঠিক রাখি। সেটি সব মাধ্যমের জন্যই জরুরি। আমাদের সাংস্কৃৃতিক ঐতিহ্য যেন অনলাইনেও বজায় থাকে, সেদিকেও মনোযোগী হতে হবে।

অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার পরিকল্পনা আছে?

অন্যদের তুলনায় কাজের সংখ্যা হয়তো কম। কিন্তু অভিনয় তো করছি। গত বছরও দু-তিনটি নাটকে কাজ করেছি। তবে নিয়মিত অভিনয়ের ইচ্ছা নেই। কারণ এখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত আছি। তা ছাড়া পরিবারকেও সময় দিতে হয়। তাই ভালো প্রজেক্ট ছাড়া অভিনয়ের ইচ্ছা নেই। তবে মানসন্মত কাজ পেলে যে কোনো সময়ে অভিনয়ে দেখা যাবে।

কী অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?

আমি অনেক ছোট থেকেই অভিনয় করছি; নির্দিষ্ট একটি গ্রেড মেনেই। এ কারণেই আমি আমার ক্যারিয়ারকে নতুন দিকে চালিত করার চেষ্টা করেছি।

আমি স্নাতক শেষ করার পরে চ্যানেল আইতে যোগদান করি। তারা আমাকে সৃজনশীল স্বাধীনতা দিয়েছিল। আমি তাদের জন্য নাটক পরিচালনা করেছি এবং পাশাপাশি স্ক্রিপ্টও লিখেছি। আমি আজকাল একজন রেস্টহ্যুর। আমি একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই, যা আমি প্রচুর উপভোগ করি। সমস্ত বিষয়টিকে বিবেচনা করে আমাকে নিজেকে অভিনয় থেকে দূরে রাখতে হয়েছিল।

Check Also

সংবাদ পাঠিকাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তাহসান

অভিনেতা, গায়ক তাহসান খান ও অভিনেত্রী মিথিলা ভালোবেসে সুখের সংসার সাজিয়েছিলেন। সেই সংসারের ইতি টানেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.